জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীতে এইচপিভি টিকা সংযোজন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।উল্লেখ্য যে,ইতোমধ্যেই ঢাকা বিভাগের সকল জেলা,উপজেলা,সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভায় এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং একই ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগের সকল জেলা।উপজেলা,সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভায় এইচপিভি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। বয়ঃসন্ধির সূচনালগ্নেই ভ্যাক্সিন প্রদানের মাধ্যমে এইচপিভি সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।বাংলাদেশে ১০-১৪ বছর বয়সী ছাত্রীদের সিংহভাগ ৫ম – ৯ম শ্রেণি বা সমমানের শ্রেণিতে অধ্যয়নরত, একারণে ১০ বছর বয়সী ছাত্রীদের ক্ষেত্রে ৫ম শ্রেণি ও ১১-১৪ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ৬ষ্ঠ -৯ম শ্রেণির ছাত্রীদেরকে উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্পন্ন করার পর পরবর্তী বছর থেকে শুধুমাত্র ৫ম শ্রেণির ছাত্রী এবং ১০ বছর বয়সী স্কুল বহির্ভূত কিশোরীদেরকে একতি নির্দিষ্ট মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এক ডোজ এইচপিভি টিকা প্রদান করা হবে।এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম ২৪ অক্টোবর ২০২৪ ইং হতে পরবর্তী ৪ সপ্তাহ বা ১ মাস যাবত অনুষ্ঠিত হবে।দেশব্যাপী মোট ১৮ দিন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।তন্মধ্যে প্রথম ১০ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও স্থায়ী কেন্দ্রসমূহে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।পরবর্তী ৮ দিন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্র সমূহে টিকা প্রদান করা হবে।উল্লেখ্য যে, ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময় রুটিন ইপিআই টিকাদান সেশন প্ল্যান অনুযায়ী চলমান থাকবে এবং কমিউনিটি ক্লিনিক যথানিয়মে চলবে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস